মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার অ্যাপ ২০২৫
বর্তমান জেনারেশনে যে কোন চাকরির পাশাপাশি আমরা সবাই অতিরিক্ত কিছু ইনকাম করতে চাই। হোক সেটা অনলাইন বা অফলাইনে। অফলাইনে অনেক ধরনের কাজের সুবিধা যেমন আছে পাশাপাশি অনলাইনে অনেক ধরনের প্লাটফর্ম আছে, যেখান থেকে আপনি অনায়াসেই ইনকাম করতে পারবেন।আমরা সবাই জানি হাতে থাকা মোবাইল ফোন দিয়েই এক্সট্রা ইনকাম করা যায়।
করারঅনলাইনে হাতে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে ইনকাম করার জন্য আপনার দরকার অল্প কিছু দক্ষতা,পরিশ্রম করার মন মানসিকতা এবং বিশ্বস্ত কোন প্রতিষ্ঠান বা অ্যাপস। আজকের এই ব্লগ আমরা পুরোটা বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব। মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার অ্যাপ২০২৫সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের এই ব্লগটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। অ্যাপ ২০২৫পেজ সুচিপত্রঃ মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার অ্যাপ ২০২৫
- মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার অ্যাপ ২০২৫
- কিছু জনপ্রিয় টাকা ইনকাম করার অ্যাপস ২০২৫
- ইউটিউব থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়
- পাঠাও অ্যাপস ব্যবহার করে ইনকাম করার উপায়
- কর্ম জবস অ্যাপস থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়
- রকমারি অ্যাপস এ অ্যাফিলিয়েট করে ইনকাম করার উপায়
- ফেসবুক অ্যাপস ব্যবহার করে ইনকাম করুন
- ইন্সট্রাগ্রাম থেকে অনায়াসে ইনকাম করার উপায়
- বসে না থেকে টিকটক থেকে ইনকাম শিখুন
- আপ ওয়ার্ক থেকে দক্ষতার সাথে ইনকাম করুন
- ফাইবারকে কাজে লাগিয়ে ইনকাম করার উপায়
- শেষ কথাঃ মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার অ্যাপ ২০২৫
মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার অ্যাপ ২০২৫
বর্তমান যুগ আধুনিক যুগ।এই যুগের সাথে তালে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে আমাদেরকেও আধুনিক হতে হবে। উন্নত দেশের মানুষের মতো সব বিষয়ে নিজেকে আধুনিক করে গড়ে তুলতে হবে।হাতে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে যে ইনকাম করা যায় এটা কম বেশি আমরা সকলেই জানি। আমরা অনেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি,অনেকে গৃহিণী, অনেকে আবার স্টূডেন্ট। এসবের পাশাপাশি আমরা সবাই বিশেষ করে যারা গৃহিনী অথবা যারা স্টূডেন্ট আমাদের হাত খরচের জন্য ইনকাম করতে চাই। আমাদের জন্য সবচাইতে নিরাপদ একটি মাধ্যম হতে পারে মোবাইল ফোনের অ্যাপস এর মাধ্যমে ইনকাম করা। এতে করে ঘরে বসে ইনকাম করা যাবে।
সারাদিনের মাত্র কয়েক ঘন্টা ব্যবহার করে অনায়াসে ইনকাম করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে খুঁজে নিতে হবে বিশ্বাসযোগ্য একটি প্রতিষ্ঠান বা অ্যাপস। অনলাইন এর এই দুনিয়াতে কোনটা সঠিক অথবা কোনটা ভুল এ বিষয়টা আলাদা করা খুবই মুশকিল। এজন্যই খুবই সতর্কতার সহিত আমাদেরকে কাজ করতে হবে। আপনি যদি বিশ্বাসযোগ্য বা সঠিক কোন প্রতিষ্ঠান বা অ্যাপ খুঁজে পান তাহলে সেখান থেকে আপনি অনায়াসেই ইনকাম করতে পারবেন।
কিছু জনপ্রিয় টাকা ইনকাম করার অ্যাপস ২০২৫
চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক জনপ্রিয় টাকা ইনকাম করার অ্যাপস ২০২৫ সম্পর্কে।
বাংলাদেশে বহুল আলোচিত অনলাইন ইনকাম অ্যাপস এর মধ্যে রয়েছে ফেসবুক, টিকটক,
ইনস্টাগ্রাম, আপওয়ার্ক, ফাইবার, পাঠাও অ্যাপ ইত্যাদি। এগুলোকে কাজে লাগিয়ে মানুষ
আগে থেকেই ইনকাম শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি উন্নত হওয়ায় হাতে থাকা মোবাইল
ফোন দিয়েই টাকা ইনকাম করা যায়। আজকের এই ব্লগে আমরা এসব অ্যাপস নিয়ে
বিস্তারিত আলোচনা করব। কিভাবে এই অ্যাপসগুলোকে ব্যবহার করে হাতে থাকা মোবাইল
দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায় সেগুলোই এই ব্লগে তুলে ধরা হয়েছে।
ইউটিউব থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়
বিনোদনের সবচাইতে বড় প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। বড়রা থেকে ছোট বাচ্চারা ইউটিউব এর ভিডিও দেখে অভ্যস্ত। ইউটিউব থেকেও ইনকাম করা যায়। এমনকি ইউটিউব থেকে খুব ভালো পরিমাণে আয় করা যায়। ইউটিউব হল শেখা, বিনোদন ও ইনকাম করার সবচাইতে বড় প্ল্যাটফর্ম বা মাধ্যম। ইউটিউব এ ভিডিও শেয়ার করে ইনকাম করা যায়। আপনার যদি একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকে এবং সেখানে আপনি নিয়মিত ভিডিও শেয়ার করে অনায়াসে ইনকাম করতে পারবেন। অল্প কিছু দক্ষতা দিয়ে ইউটিউবে ইনকাম করা যেতে পারে।
আরো পড়ুনঃ ফ্রী টাকা ইনকাম করার উপায়।
Youtube এ ইনকাম করতে হলে আপনাকে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলতে হবে। মানুষ যা পছন্দ
করে বা যে বিষয়ে ভিডিও দেখতে আগ্রহী শালীনতার সাথে সেই ভিডিওগুলো তৈরি করে
শেয়ার করতে পারলে মানুষ সেগুলো দেখবে। একটা ভিডিওতে যত ভিউ হবে আপনার ইনকাম
তত বাড়তে থাকবে। একটা সময় পরে আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ৪০ হাজার ওয়াচ টাইম হলে
আপনি চ্যানেলের মনিটাইজেশন অন করতে পারবেন। আপনার চ্যানেলের মনিটাইজেশন অন হলে
গুগলে অ্যাড দেখিয়ে আপনি ইনকাম করতে পারবেন।
পাঠাও অ্যাপস ব্যবহার করে ইনকাম করার উপায়
পাঠাও অ্যাপ বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি অ্যাপ। বিশেষ করে যারা স্টুডেন্ট তারা
পড়াশোনার পাশাপাশি এই অ্যাপস এর কাজ করে তাদের প্রতিদিনের হাত খরচে টাকা তুলতে
পারবেন। এবং অবাক করা বিষয় হচ্ছে আপনি হাতে থাকা মোবাইল ফোন দিয়েই এই কাজ করতে
পারবেন। পাঠাও অ্যাপটি বাংলাদেশ সুপার অ্যাপ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই
অ্যাপস এর মাধ্যমে আপনি অনেক কাজ করতে পারবেন। যেমন কাছাকাছি থাকা কোন কার বা
বাইক বুক করতে পারবেন যাতায়াতের জন্য। ঘরে বসে খাবার করতে পারবেন যেকোন
রেস্টুরেন্ট থেকে এবং তারা বাড়িতে এসে ডেলিভারি দিয়ে যাবে। এছাড়াও পাঠাও পে
ব্যবহার করে আপনি যে কোন বিল পেমেন্ট করতে পারবেন। যেমন ইলেকট্রিক বিল, টাকা
পাঠানো ইত্যাদি।
পাঠাও হল বাংলাদেশের অন ডিমান্ডিং অ্যাপ। পাঠাও অ্যাপ ব্যবহার করে যেমন
কাছের কোন কার বা বাইক বুক করে যাতায়াত করা যায় ঠিক তেমনি আপনার কোন ডকুমেন্ট
,প্রয়োজনীয় পার্সেল আপনি আপনার গন্তব্যে পাঠাতে পারবেন। পাঠাও অ্যাপ এর
সবচাইতে বড় সুবিধা হচ্ছে এটি নগদহীন পেমেন্ট এবং দ্রুত কাজ করার চেষ্টা করে।
পাঠাও তে অনেক সময় ডিসকাউন্ট অফার পাওয়া যায়। এটি একটি নিরাপদ অ্যাপ।
আপনি চাইলে পাঠাও অ্যাপকে এভাবে কাজে লাগিয়ে ইনকাম করতে পারবেন।
কর্ম জবস অ্যাপস থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়
কর্ম জব অ্যাপ টি হল মূলত চাকরির খবরের জন্য। মানে এখানে বিভিন্ন বড় বড়
প্রতিষ্ঠানে কোনো ভ্যাকেন্সি হলে সেটি পোস্ট করে। যারা কাজটি করতে ইচ্ছুক বা
যোগ্যতা আছে তারা যোগাযোগ করে চাকরির জন্য। ইন্টারভিউ দেওয়ার সিদ্ধান্ত
নেয়। কর্ম জবস অ্যাপ দিয়ে সিভি তৈরি করা যায় যা পরবর্তীতে চাকরির
ইন্টারভিউ এর ক্ষেত্রে কাজে লাগে। এছাড়া এখানে অনেক ধরনের টাস্ক শেয়ার
করা হয় ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানায়, এছারা বিভিন্ন গাইডলাইন দেওয়া হয়। বিভিন্ন
স্কিল শেখানো হয়। আপনি কর্মযোগ অ্যাপসটি থেকে মূলত আপনি আপনার চাকরির খবরটি
পেতে পারেন।
রকমারি অ্যাপস এ অ্যাফিলিয়েট করে ইনকাম করার উপায়
অ্যাফিলিয়েট করা বলতে বোঝায় অন্য কোন কোম্পানি বা কোনো প্রতিষ্ঠানের
প্রোডাক্ট বিক্রি করা। নিজের আইডিতে বা নিজের কোন চ্যানেলে অন্য কোন
প্রতিষ্ঠানের বা কোম্পানির প্রোডাক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরে একটা ভিডিও
তৈরি করে সেই ভিডিও পাবলিশ করা। এতে করে আপনার ফলোয়াররা সেই ভিডিও দেখবে
এবং সেই কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান থেকে যদি সেই প্রোডাক্ট কিনে তাহলে সেখান থেকে
আপনি দশ থেকে ত্রিশ পার্সেন্ট পর্যন্ত কমিশন পেতে পারেন। আর এই কাজটা আপনি
অনায়াসে ঘরে বসে আপনার হাতে থাকা ফোন দিয়ে করতে পারবেন।
ঠিক তেমনি রকমারি অ্যাপসে বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট যেমন শীতের পোশাক, বাচ্চাদের
জিনিসপত্র, অথবা কোন খাবার, সব রকমের জিনিস অ্যাফিলিয়েট করার মাধ্যমে আপনি
ইনকাম করতে পারবেন। আপনি যে কোন কোম্পানির লিংক শেয়ার করে ও এফিলেট করতে পারবেন।
এফিলিয়েট করার জন্য সবচাইতে ভালো মাধ্যম ফেসবুক ইউটিউব। ওয়েবসাইট থাকলে আরো
ভালো হবে অ্যাফিলিয়েট করে ইনকাম করা। বিশেষ করে যারা শিক্ষার্থী আছেন তাদের জন্য
সুবিধা জনক। পড়াশোনার পাশাপাশি হাতে থাকা ফোন দিয়ে ইনকাম করতে পারবেন।
অ্যাফিলিয়েট করার জন্য আপনাকে খুব বেশি পড়াশোনা অথবা দক্ষ হতে হবে
না। স্মার্ট এবং সচেতন হলে আপনি অনায়াসেই এফিলিয়েট করে টাকা ইনকাম করতে
পারবেন।
ফেসবুক অ্যাপস ব্যবহার করে ইনকাম করুন
বর্তমানে বিনোদনের সবচাইতে বড় প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে ফেসবুক। আজকাল ছোট থেকে বড়
সকলেই ফেসবুক ব্যবহার করে থাকে। অনেকে আমরা বিনোদনের জন্য ব্যবহার করি, আবার
অনেকেই ফেসবুকে ব্যবহার করে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করে। চাইলে আপনিও ফেসবুককে
ব্যবহার করে ইনকাম করতে পারবেন। আপনার যদি ফেসবুকে একটি পেজ অথবা গ্রুপ থাকে
তাহলে সেখানে সেখান থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। এছাড়াও ফেসবুকে লেখালেখি করেও
ইনকাম করা যায়। এতে করে শুধু আপনি না আপনার গ্রুপে বা পেইজে থাকা মেম্বার রাও
উপকৃত হবে।
ফেসবুকে ইনকাম করার জন্য আপনার দরকার একটি গ্রুপ অথবা পেজ যা আপনি অনায়াসে নিজেই
খুলতে পারবেন। ফেসবুকে মেনু পারে গিয়ে আপনি অনায়াসে এই গ্রুপ অথবা পেজ
খুলতে পারবেন গ্রুপ অপশনে ক্লিক করে তারপরে roup your group set করতে হবে
ওখানে ক্রিয়েট এ গ্রুপ লেখা থাকবে সেখানে ক্লিক করে গ্রুপের নাম এবং আপনি
গ্রুপটি পাবলিক অথবা প্রাইভেট রাখতে চাচ্ছেন সেটি সিলেক্ট করলেই আপনি একটি
গ্রুপ খুলতে পারবেন। এরপর আপনি সেই গ্রুপের আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা ফ্রেন্ড
দেখে ইনভাইট করে সেই গ্রুপে এড করতে পারবেন এভাবে আস্তে আস্তে অনেক মানুষ
আপনার গ্রুপে এড হবে এবং সেখান থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন।
ইন্সট্রাগ্রাম থেকে অনায়াসে ইনকাম করার উপায়
ইন্সট্রাগ্রাম মূলত শর্ট ভিডিও বা রিলস রিলেটেড অ্যাপ। এই অ্যাপে রিলস বা শর্ট ভিডিও আপলোড করা হয়। ইনস্টাগ্রাম অ্যাপকে মূলত দুই ভাবে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। প্রথমত পার্সোনাল ইউজ এর জন্য, আবার কোন ব্র্যান্ড বা কোম্পানিকে প্রমোশন করানোর জন্য। মানে বিজনেস রিলেটেড। পার্সোনাল ব্র্যান্ডিংয়ের মধ্যে নিজের ট্যালেন্ট দেখানো, নিজের ব্লগিং,ফ্যাশন, রান্নায় বা শিক্ষা বিষয়ক কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারবেন। এবং বিজনেস বা কোন ব্রান্ড কে প্রমোশন করানোর জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ব্র্যান্ড কলাবরেশন অথবা যে কোন সার্ভিস বিক্রির মাধ্যমে ইন্সট্রাগ্রাম থেকে আয় করতে পারবেন। ইন্সট্রাগ্রাম এর মাধ্যমে মানুষকে ফলো করা বা নিজের ফলোয়ার্স বাড়ানো, কোন সেলেব্রেটি ব্রান্ড বা পেজকে ফলো করার মাধ্যমে পরিচিত লাভ করা যায়।
আরো পড়ুনঃ প্রতিদিন ৪০০ টাকা ইনকাম করার উপায়।
ইনস্টাগ্রামে নিজের ব্র্যান্ড এর শর্ট ভিডিও শেয়ার করা হয়। ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল হওয়ার সুযোগ বেশি। আপনার ভিডিও কে দেখছে বা কতজন দেখছে অথবা কোন পোস্ট ভালো কাজ করছে সবকিছু খুব সহজভাবেই জানা যায়। আপনি ইন্সট্রাগ্রাম এ রান্নার রেসিপি, ইসলামিক ভিডিও, অনলাইন ইনকাম টিপ্ বিভিন্ন টিউটোরিয়াল নিয়ে ভিডিও করতে পারবেন। এতে নিজের বিজনেসের প্রচার, প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং খুব সহজেই করা যাবে। মানে ইনস্টাগ্রাম এখন শুধু বিনোদনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম নয়। আপনি চাইলে ইনস্টাগ্রাম থেকে অনায়াসেই আপনার হাতে থাকা ফোন দিয়ে ইনকাম করতে পারবেন।
বসে না থেকে টিকটক থেকে ইনকাম শিখুন
টিকটক থেকে যে ইনকাম করা যায় সেটা আমরা কম বেশি সকলেই জানি। তবে টিক টককে যে
বিজনেস রিলেটেড কাজে ব্যবহার করা যায় সেটা নিয়ে আজকে আলোচনা করব। আমরা মূলত
টিকটকে ফানি ভিডিও বা ব্লগ টাইপের ভিডিও দেখে থাকি। তবে বড় বড় বিজনেস ওনাররা এই
টিকটককে ব্যবহার করছে তাদের বিজনেসের বৃদ্ধির জন্য। এতে তাদের যেরকম বিজনেসের
উন্নতি হচ্ছে ঠিক তেমনি হাজার হাজার বেকার মানুষ কাজের সুবিধা পাচ্ছে। তাই বসে না
থেকে মোবাইল দিয়েই টিক টক থেকে ইনকাম করতে পারবেন। চলুন এবার জেনে নেই টিকটক
থেকে কিভাবে হাতে থাকা ফোন দিয়েই ইনকাম করতে পারবেন।
টিকটক থেকে ইনকাম করতে হলে আপনার দরকার একটি টিক টক অ্যাকাউন্ট। যা আপনি
অনায়াসেই খুলতে পারবেন। প্লে স্টোর থেকে টিকটক অ্যাপ টি ডাউনলোড করে আপনার
প্রোফাইল নাম এবং প্রোফাইল একটি ছবি, স্ট্রং পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনি টিকটকএকাউন্ট
খুলতে পারবেন। টিকটকে আপনি আপনার ভিডিও শেয়ার করেও ইনকাম করতে পারবেন। যেমন
আপনি রান্নার ভিডিও, ইসলামিক ভিডিও বা লাইফস্টাইল সম্পর্কে ভিডিও শেয়ার করতে
পারেন। এতে আপনার ভিডিওতে যত বেশি ভিউজ হবে আপনার ইনকাম তত বাড়বে। টিকটক থেকে
এফিলিয়েটের মাধ্যমে ইনকাম করা যায় ।যেমন বড় কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের হয়ে
আপনি ভিডিও তৈরি করে আপনার একাউন্টে আপলোড করবেন। আপনার ফলোয়ার্সরা সেই
ভিডিও দেখে সেখান থেকে যদি প্রোডাক্ট কিনে তাহলে সেখান থেকে আপনি নির্দিষ্ট
পরিমাণে কমিশন পেতে পারেন। এভাবে টিকটক থেকে আপনি অনায়াসে ইনকাম করতে
পারবেন।
আপ ওয়ার্ক থেকে দক্ষতার সাথে ইনকাম করুন
আপ ওয়ার্ক হল ফ্রিল্যান্সিং টাইপের জব। মানে আপনি অনলাইনে যে কাজে দক্ষ সেই কাজ ক্লাইন্টকে সার্ভিস দেওয়া কাজ। আপ ওয়ার্ক এ কাজ করার জন্য দরকার একটি অ্যাকাউন্ট। যেখানে আপনার প্রফেশনাল ফটো, আপনার সঠিক নাম এবং একটি স্ট্রং প্রোফাইল ডেসক্রিপশন লাগবে। তারপর সেখানে অনেকগুলো কাজ সিলেক্ট না করে দুই একটাতে প্রথমে ফোকাস করা উচিত। আপনি চাইলে আপনার প্রোফাইল অপটিমাইজ করতে পারবেন যেমন হেডলাইন কে একটু আকর্ষণীয় করতে পারেন। নতুন অবস্থায় আগের কাজের উদাহরণ দিতে পারেন।আপ ওয়ার্ক এ কাজ করার জন্য আপনাকে কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে। যেমন ক্লাইন্টকে মূল্য দেওয়া, কাজ সময় মত ডেলিভারি করা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভালো রিভিউ। আপনি যত বেশি ভালো রিভিউ পাবেন আপনার ক্লায়েন্ট তত বাড়তে থাকবে।
আপ ওয়ার্ক এ জনপ্রিয় কয়েকটি কাজ হল কন্টেন্ট রাইটিং বা আর্টিকেল রাইটিং, ওয়েব
ডিজাইন, সোশ্যাল মিডিয়ামার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি
এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় এসইও প্রজেক্ট। আপ ওয়ার্ক এ আপনি ফিক্সড প্রাইস দিয়ে
কাজ করতে পারবেন অথবা ঘণ্টা হিসেবে কাজ করতে পারবেন এবং সবচাইতে ভালো অপশন হলো
মাসিক কাজ মানে লং টার্ম ক্লায়েন্ট। এতে নিয়মিত ইনকাম হবে। তবে নতুনদের জন্য
ফিক্সড প্রাইজে কাজ করাই ভাল। এতে আপনার অভিজ্ঞতা যত বাড়বে আপনি যত ভালো কাজ
করতে পারবেন। এবং কাজের পরিমাণ যত বাড়বে আপনার ইনকাম ওহ তত বাড়বে।
ফাইবারকে কাজে লাগিয়ে ইনকাম করার উপায়
ফাইবার হচ্ছে ফ্রিল্যান্সারদের কাছে সবচাইতে জনপ্রিয় একটি অ্যাপ। ফাইবারে বিভিন্ন রকমের কাজ রয়েছে যেমন আর্টিকেল রাইটিং, ওয়েব ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এবং এস ই ও। ফাইবার থেকে ইনকাম করতে হলে আপনাকে কিছু বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। আপনি যত বেশি দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন আপনার ইনকাম তত বাড়বে যেমন গুগলের সব নিয়মকানুন মেনে আর্টিকেল লিখতে জানতে হবে ভিডিও এডিটিং বা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কেও দক্ষ হতে হবে। নতুন অবস্থায় যদিও দুই একটা বিষয়ের উপর কাজ করা ভালো। প্রথমে গুগলে গিয়ে ফাইবার ডট কম লিখে সার্চ করে আপনার জিমেইল বা ফেসবুক দিয়ে সাইনআপ করে নিতে হবে।
আরো পড়ুনঃ সোশ্যাল মার্কেটিং করে আয় করার উপায়।
এরপর প্রোফাইলে নিজের রিয়েল নাম ছবি এবং আপনি যেই বিষয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন সেটি
দিতে হবে। সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আপনি ঠিক কি বিষয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন
সেগুলো সুন্দর করে সাজাতে হবে। তবে শুরুতে যে কোন একটি স্কিল নিয়ে কাজ করাই
ভালো। এরপরে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে গিগ তৈরি করা।গিগ মানে হলো ফাইবার অ্যাপ
এ আপনার কাজের ধরন বা বিজ্ঞাপন বিস্তারিত আলোচনা করা টাইটেল ডেসক্রিপশন
কাজের মূল্য ডেলিভারি টাইম এবং পূর্ব কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করা। ফাইবারে কাজ
করতে হলে আপনাকে অনেক একটিভ হতে হবে। যেমন ফাইবার ইনবক্স সবসময় চেক করা,
ভদ্রভাবে স্পষ্ট ভাবে কথা বলা এবং সবচেয়ে ইম্পোর্টেন্ট সময় মতো কাজ সম্পন্ন
করা ও মোটামুটি ইংরেজি বলার এবং বুঝার দক্ষতা। আপনি যদি আপনার
ক্লাইন্টের কাজটি ঠিক মতো করতে পারেন তাহলে তারা ফাইভ স্টার রিভিউ দিবে। এভাবে
আপনার রিভিউ যত বাড়তে থাকবে আপনার ইনকাম তত ভালো হবে।
শেষ কথাঃ
মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করার অ্যাপ ২০২৫ সম্পর্কে উপরে মোটামুটি একটি ভালো ধারণা দেওয়া হয়েছে আপনি চাইলেই আপনার হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে উপরে আলোচনা করা বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন। tiktok ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম এগুলো এখন শুধু বিনোদনের প্ল্যাটফর্ম নয় এগুলো থেকে চাইলেই যে কেউ খুব অনায়াসেই ইনকাম করতে পারবে দরকার শুধু পরিশ্রম করার মন মানসিকতা ধৈর্য এবং অল্প কিছু দক্ষতা আপনার যদি ধৈর্য এবং পরিশ্রম করার মন মানসিকতা থাকে তাহলে আপনি মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তবে এই বিষয়ে অবশ্যই আপনাকে সতর্ক হতে হবে।
আমরা জানি প্রত্যেকটা জিনিসেরই ভাল-খারাপ দুটো দিক থাকে। অনলাইন থেকে যেরকম মোবাইল ফোন দিয়ে ইনকাম করা যায় ঠিক তেমনি অনেক প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি আছে যারা ইনকাম করার প্রলোভন দেখিয়ে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য অথবা আপনাকে অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত করতে পারে। তাই আপনাকে অবশ্যই সতর্কতার সাথে কোন প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানিকে বেছে নিতে হবে। যেমন অনেক কোম্পানি আছে যেখানে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য আপনার থেকে টাকা চাইতে পারে অথবা আপনার গোপনীয় তথ্য যেমন গুগল এর পাসওয়ার্ড বা ফেসবুকের পাসওয়ার্ড নিয়ে আপনাকে নানাভাবে হেনস্তা করতে পারে। তাই অবশ্যই আমাদের ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত অথবা কাজ করতে হবে।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url