গর্ভাবস্থায় বিটরুট খাওয়ার উপকারিতা
গর্ভাবস্থায় বিটরুট খাওয়ার উপকারিতা
গর্ভাবস্থায় ভিটফট খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে কারণ এতে অনেক পুষ্টির উপাদান
রয়েছে। নিচে এর উপকারিতা গুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
পেজ সূচিপত্রঃ গর্ভাবস্থায় বিট্রুট খাওয়ার উপকারিতা
- শিশুর মস্তিষ্ক ও নার্ভ ডেভেলপমেন্টে সাহায্য করে
- আয়রন বাড়ায়
- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
- হজমে সাহায্য ও কষ্ট কাঠিন্য কমায়।
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
- শক্তি বাড়ায়।
শিশুর মস্তিষ্ক ও নার্ভ ডেভেলপমেন্ট সাহায্য করে
বিটরুটে আছে প্রচুর পরিমাণে ফলেট যা শিশুর মস্তিষ্ক স্নায়ুতন্ত্র ও স্পাইনাল
কর্ড সঠিকভাবে গঠনের সাহায্য করে। ফাইনাল কর্ড হলো স্নায়ুর একটি প্রসারিত এবং
সিলিন্ডার আকৃতির সংগ্রহ যা মস্তিষ্কে প্রান্ত থেকে হয় এবং ঘাড় ও পেছনের
অঞ্চলে প্রসারিত হয়।
আয়রন বাড়ায়
গর্ব অবস্থায় অনেক মহিলা অ্যানিমিয়ায় ভোগেন। অ্যানিমিয়া হল রক্তশূন্যতা জনিত
রোগ। ছুটে থাকা আইরনে রোগীর রেড ব্লাড সেল বাড়ায়। মাথা ব্যথা ও
দুর্বলতা কমায়। মায়ের শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ উন্নত করে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
বিটরুটে আছে নাইট্রেট যা শরীরে পৌঁছে নাইট্রিক অক্সাইডে পরিণত হয়। ফলে
রক্তনালী প্রসারিত হয় ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমতে সাহায্য করে।
হজমে সাহায্য ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। ফাইবার হল উদ্ভিদ থেকে পাওয়া খাবারের এক প্রকার অংশ। যা গর্ভাবস্থায় সাধারণ সমস্যা কোষ্ঠকাঠিন্য কমায় ও হজমে সাহায্য করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
বিটরুটে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি যা সংক্রমণ প্রতিরোধ করে মায়ের
শরীরকে সুস্থ রাখে।
শক্তি বাড়ায়
প্রাকৃতিক এনার্জি বুষ্ট াই স্টেশন ক্লান্তি ও দুর্বলতা কমাতে সাহায্য করে।
সতর্কতা
বিট্রুটে থাকে অক্সালিড। যাদের কিডনিতে পাথর আছে তাদের বিটরুট
খাওয়া নিষেধ। যাদের শরীরে শর্করা বেশি তাদের জন্য জুস নয় বরং সেদ্ধ বা সালাদ
খাওয়া উত্তম। তবে কাঁচা জুস বেশি পরিমাণে খাওয়া থেকে বিরত থাকায় উত্তম।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url